কক্সবাজার

অক্টোবরে উদ্বোধন হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

Copied
অক্টোবরে উদ্বোধন হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

চলতি বছরের অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের পর দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনসের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আগামী অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে অ্যাভিয়েশন ও পর্যটন খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড টুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনের পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি এয়ারলাইন্সও কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী অক্টোবরে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিমানবন্দরটির উদ্বোধন করবেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন কক্সবাজার থেকে ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে।

কক্সবাজারে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে বিদেশি পর্যটকদের সরাসরি সমুদ্রসৈকত কেন্দ্রিক পর্যটন এলাকায় যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে দেশের পর্যটন খাতে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে বিমানমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে শাহজালাল বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও যাত্রীসেবার মান আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।