কক্সবাজার

কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিকের ‘দানব’

কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিকের ‘দানব’

ছবি সংগৃহীত

পরিত্যক্ত পাঁচ টন প্লাস্টিক দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নির্মাণ করা হয়েছে ব্যতিক্রমী ভাস্কর্য ‘প্লাস্টিক দানব’। সমুদ্রদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। প্রদর্শনী চলবে চার মাস।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি সৈকতে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ থিয়েটার। সেখানে দায়িত্বশীল পর্যটনবিষয়ক সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র দেখানো হবে। চলচ্চিত্র দেখতে দর্শনার্থীদের প্রবেশমূল্য হিসেবে দুটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল আনতে হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, মানুষের অসচেতনতার কারণে প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্র ও সৈকতের পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এ ভাস্কর্য মানুষের অসচেতনতার প্রতিচ্ছবি। এর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং নিজেদের আচরণ পরিবর্তনে উৎসাহিত করাই তাঁদের লক্ষ্য।

আয়োজকরা জানান, ফাউন্ডেশনের ‘প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ স্টোর’-এর মাধ্যমে সারা বছর পরিত্যক্ত প্লাস্টিক সংগ্রহ করা হয়। এসব প্লাস্টিকের বিনিময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নেওয়ার সুযোগ পান মানুষ। সংগৃহীত প্লাস্টিকের একটি অংশ দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ‘প্লাস্টিক দানব’।

চার মাসের এ আয়োজনের মাধ্যমে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং দায়িত্বশীল পর্যটন সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।