খাগড়াছড়িতে ভারিবর্ষণে নিম্নাঞ্চলে পানি, জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ
খাগড়াছড়িতে ভারিবর্ষণে চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ খাল ছড়ায় পাহাড়ি ঢলে পানি বাড়ছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে জেলা সদর, মহালছড়ি, পানছড়ি, দীঘিনালাসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বেলুন মেকার সুভূতি চাকমা বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১টায় গত ১৮ ঘণ্টায় ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টিপাতে নদী ছড়ার পানি বেড়ে মহালছড়ির মাইসছড়ি সড়কে পানি জমা যাওয়ায় যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। দীঘিনালা-লংগদু সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
খাগড়াছড়িতে তৃতীয় দিনে বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। রাত থেকে জেলা সদর, মাটিরাঙা, পানছড়ি, রামগড়সহ বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। এদিকে পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে জেলা সদরে নিচের বাজার, মুসলিম পাড়াসহ নিচু এলাকায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। এছাড়া মাইনী নদীর পানি বেড়ে দীঘিনালার নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এছাড়া জেলা শহরে কলাবাগান, নেন্সিবাজার, মোল্লাপাড়া, কৈবল্যপিঠ, আঠার পরিবার, শালবন ও মোহাম্মদপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের ঢালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে শত শত পরিবার। টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানান, যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে।