আন্তর্জাতিক

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু, আপত্তি ভারতের

Copied
চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু, আপত্তি ভারতের

নরেন্দ্র মোদি, শি জিনপিং ও শেহবাজ শরিফ। ছবি সংগৃহীত

চীন ও পাকিস্তানের গঠিত যৌথ সীমান্ত কমিশনকে সম্পূর্ণ বেআইনি ও আইনি ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতীয় ভূখণ্ড দখলের মাধ্যমে এমন কোনো চুক্তি করার অধিকার ইসলামাবাদের নেই বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো সীমান্ত নেই। তাই তথাকথিত এই যৌথ কমিশনকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি, যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।’

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সমগ্র জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। অবৈধভাবে দখল করা ভূখণ্ড নিয়ে কোনো সমঝোতা করার এখতিয়ার পাকিস্তানের নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

১৯৬৩ সালে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত তথাকথিত সীমান্ত চুক্তি ভারত কখনই স্বীকার করেনি এবং একে শুরু থেকেই ‘অবৈধ ও অকার্যকর’ বলে মনে করে আসছে। পাকিস্তান সে সময় কাশ্মীরের কিছু অংশ চীনের কাছে হস্তান্তর করেছিল, যার মধ্যে আকসাই চিন ও শাক্সগাম উপত্যকা অন্তর্ভুক্ত।


এছাড়া বিতর্কিত ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে নির্মাণ করা চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিসি) তীব্র বিরোধিতা করে আসছে নয়াদিল্লি। নাটকমঞ্চায়ন বন্ধ করে দখল করা ভারতীয় ভূখণ্ড দ্রুত খালি করার জন্য পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জয়সওয়াল।

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ওই যৌথ কমিশনের প্রথম বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সীমানা ও মহাসমুদ্রবিষয়ক বিভাগের উপ-মহাপরিচালক লি ইয়া এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী নেতৃত্ব দেন। বৈঠকের পর একে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল পাকিস্তান।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস