কক্সবাজার

ডাকাত সর্দার সোহেল রানার মোটরসাইকেল ও ছুরি উদ্ধার

ডাকাত সর্দার সোহেল রানার মোটরসাইকেল ও ছুরি উদ্ধার

রামুতে এসআরবি-১৫-এর বিশেষ অভিযান। পালিয়ে গেলেন পরোয়ানাভুক্ত আসামি সোহেল রানা ও সহযোগী; ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার Yamaha R15 মোটরসাইকেল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র।

কক্সবাজারের রামুতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও ডাকাত সর্দার হিসেবে পুলিশের তালিকাভুক্ত মো. সোহেল রানা ওরফে সোহেল ওরফে হাতি সোহেল ওরফে জসিম উদ্দিন সোহেলের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধেচুয়াপালং এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসআরবি-১৫-এর সদর কোম্পানি ও সিপিএসসি, কক্সবাজারের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক দল জানতে পারে, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সোহেল রানা একটি মোটরসাইকেলে করে কম্বনিয়াপাড়া থেকে ধেচুয়াপালং বাজারের দিকে যাচ্ছেন।

পরে রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে ধেচুয়াপালং এলাকায় পাকা সড়কে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। এ সময় মোটরসাইকেলের দ্বিতীয় আসনে থাকা এক ব্যক্তি সদস্যদের লক্ষ্য করে কাঠের হাতলযুক্ত লোহার তৈরি একটি ধারালো ছুরি নিক্ষেপ করেন বলে দাবি করেছে এসআরবি।

এরপর সোহেল রানা ও তার সহযোগী মো. রুবেল মোটরসাইকেলটি ফেলে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি Yamaha R15 মোটরসাইকেল ও একটি ধারালো দেশীয় ছুরি উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৫ জানায়, পলাতক সোহেল রানা (৩৪) কক্সবাজার সদর ও রামু থানায় হত্যা, অস্ত্র আইন, দ্রুত বিচার আইন, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৭টি মামলায় বিচারাধীন ও তদন্তাধীন রয়েছেন বলে পিসিপিআর তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে।

অভিযানে পলাতক অপর আসামি মো. রুবেল (৩৬) রামু উপজেলার কম্বনিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উদ্ধার করা মোটরসাইকেল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫।