ফাইনালের লড়াইয়ে ভারত-বাংলাদেশ, টস জিতে ফিল্ডিংয়ে টাইগ্রেসরা
নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
সেমিফাইনালের এই ম্যাচটি দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জয়ী দল সরাসরি নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা করে নেবে। বাংলাদেশ এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে।
ফাইনালের টিকিটের লড়াই
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ভারত ও বাংলাদেশ—দুই দলই ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে।
বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৮ সালের নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবারও ভারতের বিপক্ষে বড় ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ রয়েছে টাইগ্রেসদের।
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড
ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জয় তুলনামূলকভাবে কম। তবে অতীতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতকে হারানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের।
এবার বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত মারুফা আক্তারসহ বাংলাদেশের বোলাররা ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। মারুফা তিন ম্যাচে সাত উইকেট নিয়ে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশের একাদশ
দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, সোবহানা মোস্তারি, নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), শারমিন আক্তার, শোরনা আক্তার, ফাহিমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, রাবিয়া খান, মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুন।
ভারতের একাদশ
স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মা, প্রতিকা রাওয়াল, হারমানপ্রিত কৌর (অধিনায়ক), ভারতী ফুলমালি, রিচা ঘোষ (উইকেটকিপার), দীপ্তি শর্মা, প্রেমা রাওয়াত, শ্রী চরণী, ক্রান্তি গৌড় ও নন্দনী শর্মা।
ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের সামনে বাংলাদেশের বোলিং
ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে রয়েছেন স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মা ও অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌরের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। চলতি এশিয়া কাপে শেফালি ভার্মা তিন ম্যাচে ১০৪ রান করেছেন।
অন্যদিকে বাংলাদেশের বড় ভরসা বোলিং বিভাগ। নাহিদা আক্তার, রাবিয়া খান, মারুফা আক্তার ও ফাহিমা খাতুনদের ওপর থাকবে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে আটকে রাখার দায়িত্ব।