জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে ইসি

Copied
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে ইসি

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল বৈঠকে বসেছেন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

‎মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে টানা এক ঘণ্টা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। বৈঠকে চারজন নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দন বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয় নি; যথাসময়ে ভোটের সময় জানানো হবে।’

‎সিইসি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের দিনক্ষণ বা সময়সূচি পরবর্তীতে কমিশন সভায় আলোচনা করে যথাসময়ে জানানো হবে। সংসদ অধিবেশনে থাকা বা না থাকার ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন প্রক্রিয়ার আইনি ধরন নির্ধারিত হবে।’তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা দেবে সংসদ সচিবালয়, যার জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা-৪ আসন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘এটি নিয়ে কোনো কথা হয়নি; সংসদ সচিবালয় থেকে রেফার করলে কমিশন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

‎উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই শুক্রবার বিকেলে গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন এবং ওই দিনই তা গ্রহণ করা হয়। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকায় বর্তমানে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। সংবিধানের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।

‎আইন অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং সিইসির কার্যালয়ে সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

তবে মূল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ কক্ষে, যেখানে সংসদ সদস্যরা ভোটার হিসেবে ভোট দেবেন। রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং অন্য আরেকজন সংসদ সদস্যকে সমর্থক হিসেবে স্বাক্ষর করতে হয়, সেই সাথে প্রার্থীর নিজস্ব সম্মতিও প্রয়োজন হয়। সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকলে স্পিকার প্রয়োজন অনুযায়ী সাত দিন আগে বৈঠক আহ্বান করতে পারেন।