কক্সবাজার

চকরিয়ায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

চকরিয়ায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

চকরিয়ায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এ সময় খামারিদের ঋণসহায়তা ও প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কক্সবাজারের চকরিয়ায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এ সময় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে দুই খামারিকে দুই লাখ টাকা করে ঋণসহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বায়োগ্যাস প্লান্ট প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় খামারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের তরুণেরা উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত হচ্ছেন। দেশে আবু তাহেরের মতো সফল উদ্যোক্তাও তৈরি হচ্ছেন।

তিনি বলেন, মাত্র তিনটি গরু থাকলেও একটি পরিবারে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা গেলে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি আমদানি করা গ্যাসের বিকল্প ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশিক্ষণ ট্রেডগুলো আধুনিক ও পরিমার্জন করা হচ্ছে। যুবসমাজকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের আওতায় এনে বেকারত্ব দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় তরুণদের এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন এবং আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান।