কক্সবাজার

দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

Copied
দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচন: সভাপতি পদে আবুল হাশেম সওদাগরকে ঘিরে বাড়ছে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। ছবি সংগৃহীত

কক্সবাজারের ব্যবসায়ীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। আগামী ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ১৯টি পদের বিপরীতে ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনকে ঘিরে জেলার ব্যবসায়ী মহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সরেজমিনে ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সভাপতি পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম সওদাগরকে এগিয়ে রাখছেন অনেক ব্যবসায়ী ও ভোটার। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে পাশে থাকা এবং তার সততা ও জবাবদিহিতার কারণে এবারের নির্বাচনে তিনি ভালো অবস্থানে রয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী ও ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সভাপতি পদে আবুল হাশেম সওদাগরের প্রতি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটারের সমর্থন রয়েছে। তার সমর্থকেরা মনে করছেন, নির্বাচনে তিনি বড় ব্যবধানে জয়ী হতে পারেন। সভাপতি পদে তার প্রতীক আনারস হওয়ায় প্রচারণায়ও এ প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তার অনুসারীরা।

তবে অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের দাবি, নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ভোটারদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং শেষ মুহূর্তের প্রচারণাই নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ হাড্ডাহাড্ডি হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। পাশাপাশি সিনিয়র সহসভাপতি পদেও ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয় করতে প্রচারণা ও গণসংযোগ বাড়াচ্ছেন।

এবারের নির্বাচনে মোট ২১টি পদের মধ্যে দুটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে বাকি ১৯টি পদে ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনে ২১৭ জন আজীবন সদস্য ও ১ হাজার ১২২ জন সাধারণ সদস্যসহ মোট ১ হাজার ৩৩৯ জন ভোটার রয়েছেন। আগামী ২৮ আগস্ট ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ১৯টি পদে প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।

এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও প্রার্থীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মতবিনিময় ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ব্যবসায়ী মার্কেট ও প্রতিষ্ঠানে চলছে সরব প্রচারণা।

নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহসভাপতিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে শেষ পর্যন্ত কারা বিজয়ের হাসি হাসবেন—এখন সেটিই ব্যবসায়ী মহলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।