কক্সবাজার

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে

মিয়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৫৩ বস্তা সারসহ নৌকা জব্দ

Copied
মিয়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৫৩ বস্তা সারসহ নৌকা জব্দ

টেকনাফের নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৫৩ বস্তা সারসহ একটি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকা জব্দ করা হয়েছে। ছবি বিজিবি

কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৫৩ বস্তা সারসহ একটি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং বিওপির রাডার নজরদারির মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবরাং বিওপিতে স্থাপিত রাডারের মাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ নাফ নদীতে একটি সন্দেহজনক নৌযানের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সাবরাং বিওপির একটি আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ওবিএম পোস্টসংলগ্ন নাফ নদীতে তল্লাশি চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে মালিকবিহীন অবস্থায় একটি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকা জব্দ করা হয়। পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৫৩ বস্তা সার পাওয়া যায়।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে প্রচলিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও রাডার ব্যবস্থার মাধ্যমে নাফ নদীতে সন্দেহজনক নৌযান এবং চোরাচালান কার্যক্রম শনাক্তে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে অবৈধ পণ্য পাচার এবং মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্তে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জব্দ করা সার ও ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকার বিষয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।